ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ ইউনিয়নের নয়াদিঘী এলাকায় (২০ এপ্রিল) রবিবার নির্মাণাধীন ভবনের সেপটিক ট্যাংকে নেমে বিষাক্ত গ্যাসে এক নির্মাণ শ্রমিকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
মৃত ব্যক্তি শ্রীকান্ত (২৫) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সিন্দুর্না কোণপাড়া গ্রামের অষ্টম রায়ের ছেলে পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রির সহকারী (লেভার) হিসেবে কাজ করতেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার সকালে সেন্টারিংয়ের কাঠ খুলতে ট্যাংকের ভেতরে নামেন শ্রীকান্ত। এসময় তাঁর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পরিবারের লোকেরা এলাকার লোকজনকে ডাকেন। ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে শ্রীকান্ত অচেতন হয়ে পড়েন। অন্য শ্রমিকেরা ভেতরে না নেমে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তাঁকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। নিহতের পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে মারা যাওয়া মিস্ত্রি শ্রীকান্তের মরদেহ দাফনে অনুমতি দেওয়া হয়। এবিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।
মৃত ব্যক্তি শ্রীকান্ত (২৫) ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার সিন্দুর্না কোণপাড়া গ্রামের অষ্টম রায়ের ছেলে পেশায় তিনি রাজমিস্ত্রির সহকারী (লেভার) হিসেবে কাজ করতেন।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আজ রবিবার সকালে সেন্টারিংয়ের কাঠ খুলতে ট্যাংকের ভেতরে নামেন শ্রীকান্ত। এসময় তাঁর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে পরিবারের লোকেরা এলাকার লোকজনকে ডাকেন। ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা গ্যাসে শ্রীকান্ত অচেতন হয়ে পড়েন। অন্য শ্রমিকেরা ভেতরে না নেমে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে তাঁকে উদ্ধার করে রাণীশংকৈল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁদের মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে রাণীশংকৈল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমানুল্লাহ আল বারী জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। নিহতের পরিবারের কোন অভিযোগ না থাকায় সেপটিক ট্যাংকে নেমে মারা যাওয়া মিস্ত্রি শ্রীকান্তের মরদেহ দাফনে অনুমতি দেওয়া হয়। এবিষয়ে কোনো মামলা হয়নি।
মোঃ মোবারক আলী, রাণীশংকৈল ঠাকুরগাঁও: